মাহবুব আলম জয় বিক্রমপুরের ইতিহাসের কালের স্বাক্ষী সুলতানী আমলের শহীদ বাবা আদম মসজিদ। তিনি এই অঞ্চলে নতুন সভ্যতার সৃষ্টি করেন। এটি মুন্সীগঞ্জ সদরের মিরকাদিম পৌরসভার (দরগাহ বাড়ি) গোয়ালগুন্নি মৌজায় অবস্থিত।
একটি ছড়া মেহেদী হাসান হিমেল একটি ছড়া হাতির মতো নানা আর নাতির মতো বুড়া এবং বুড়ির মতো কিংবা রেশমি চুড়ির মতো। একটি ছড়া পিঠার মতো খেজুররসের মিঠার মতো গোঁত্তা খাওয়া
মেজর মো. সিফাতুল আলম মুর্শেদা বাহার জুলিয়ার চোখ দিয়ে টপ টপ করে পানি পড়ছে। খাগড়াছড়ির রামগরে একটা কবরস্থানের বাইরে দুই হাত উঁচু করে মোনাজাত করছেন ষাটোর্ধ্ব জুলিয়া। স্বামী ড. শামসুল
আশরাফ ইকবাল: সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে সমাজ ও সভ্যতার মানবিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক উৎকর্ষ সাধন সম্ভাবিত হয়। সাহিত্যচর্চা করার প্রথাটা সভ্যতার একটা প্রধান অঙ্গ। – প্রমথ চৌধুরী। আরও পড়ুন একাকিত্ব বর্তমান সভ্যতা যে
আশরাফ ইকবাল: সময় কখনো দাঁড়িয়ে থাকে না, গড়িয়ে চলে, মাড়িয়ে যায় এবং কালের আবর্তে হারিয়ে যায়। এ হারানো ইতিহাস লেখার জন্য কেউ কাউকে নির্দেশ দেয়নি। আপনা থেকেই লিখতে থাকে চলার
– শরীফ বিল্লাহ বাবা, অত্যন্ত বেদনামধুর মন নিয়ে আপনার দরবারে হাজির হয়েছি। তবে হাজির হয়েছি খালি হাতে। খালি হাত দেখে হয়তো এতক্ষনে আপনি মাইন্ড খেয়ে পেলেছেন। কারন আপনি খালি হাত
ক্যাডেট ও কিছু স্মৃতি আশরাফ ইকবাল: আমার ছিলো সেনাবাহিনীতে কাজ করার ঝোক। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। সে সময় এবং সুযোগ কোনটিই হল না। ঢাকা ভার্সিটিতে যখন পড়তাম তখন অনেক ছাত্র-ছাত্রীই বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘অচেনা সেই আলোর হাত’ পড়া যাবে মাসিক বিক্রমপুর ও ঝিকুট পত্রে। বিক্রমপুরের তরুণ শিক্ষানবিশ গণমাধ্যম কর্মী ও সংগঠক আসিফ বাঁধনের লেখা অনুপ্রেরণামূলক গল্প “অচেনা সেই আলোর হাত”
নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্তমান সময়ে মনসুর আজিজ বাংলা সাহিতের একজন উল্লেখযোগ্য কবি। কবিতা ছাড়াও সাহিত্যের অন্যান্য শাখায় রয়েছে তার স্বচ্ছন্দ বিচরণ। লিখছেন ছড়া, গান, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নিবন্ধ। অনুবাদও করছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক- হুমায়ুন আজাদ (১৯৪৭–২০০৪)। কবি, ঔপন্যাসিক, ভাষাবিজ্ঞানী, সমালোচক, কিশোরসাহিত্যিক, গবেষক, এবং অধ্যাপক। তিনি একজন প্রথাবিরোধী এবং বহুমাত্রিক লেখক। স্রোতের প্রতিকূলে চলা সত্য ভাষ্যের এক অনন্য পথিক হুমায়ুন আজাদ। হুমায়ুন