
নিজস্ব প্রতিবেদক- ফিরে এলো ’২৪-এর সেই রক্তাক্ত জুলাই। কোটা বাতিলের দাবিকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজপথ। আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে দেশব্যাপী। এই জুলাইয়ে স্বৈরাচার হাসিনার নির্দেশে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও বিপথগামী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিষ্ঠুর-নির্দয়ভাবে পাখির মতো মানুষকে গুলি করে, কুপিয়ে, পুড়িয়ে গণহত্যা চালায়। ছাদের ওপর, ঘরের জানালায়, হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে নারী-শিশুদের হত্যা করা হয়। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার বুকে গুলি লেগে শরীরের একপাশ দিয়ে ঢুকে আরেকপাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। গণহত্যা চালানোর পর পুড়িয়ে ফেলা হয় মৃতদেহ। দেওয়া হয় গণকবর। শোকে-ক্ষোভে ফেটে পড়ে সারাদেশ। অবশেষে দম্ভের পতন ঘটে। ৩৬ দিনের টানা আন্দোলনে ক্ষমতা ছেড়ে স্বৈরাচার হাসিনা পালিয়ে যান ভারতে। রক্তক্ষোভের দিনগুলোকে স্মরণ করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার, দেশের সব রাজনৈতিক দল ও জুলাইয়ের অংশীজনরা। এদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ছাত্র জনতার আত্মার শান্তি ও মুক্তি কামনায় আজ সোমবার ০১ জুলাই দুপুরে মুন্সিগঞ্জ শহর জামে মসজিদ এবং কালেক্টরেট জামে মসজিদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা আয়োজন করা হয়। উক্ত আয়োজনে শহিদদের আত্মত্যাগ এবং দেশপ্রেমের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।